প্রিপেইড মিটারে প্রতি মাসে কার্ড রিচার্জের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে পরিমাণ টাকা কেটে রাখা হয় সেটা আসলে কোথায় যায় তা আজ আমরা জানব। ব্যাখ্যা দিয়েছে পাওয়ার সেল।
মূলত, প্রিপেইড মিটার গ্রাহকের ডিমান্ড চার্জ, মিটারের ভাড়া এবং ভ্যাট এই তিনটি হিসেবে প্রতিমাসে একবার টাকা কেটে রাখা হয়।
মিটারের এ ভাড়া পাঁচ বছর মেয়াদে গ্রাহকের কাছ থেকে কিস্তিতে কেটে রাখ হয়। কিন্তু কেউ যদি নিজে তার মিটার কিনে লাগান, তাহলে তার মিটার ভাড়ার খরচ আর দিতে হবে না।
মিটারের এই খরচ মূলত এর ধারণক্ষমতা হিসেবে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। যেমন- সিঙ্গেল ফেজের মিটারের ক্ষেত্রে গ্রাহককে মাসে ৪০ টাকা এবং থ্রি ফেজ মিটারের ক্ষেত্রে মাসে ২৫০ টাকা দিতে হয়।
শুধুমাত্র মিটার রেন্ট ছাড়া বাকি চার্জগুলো পোস্ট পেইড বিলেও কাটা হতো । পোস্ট পেইডে যে কাগজের বিল প্রিন্ট করে দেয়া হয়, সেটাতে খেয়াল করলে দেখা যায় যে প্রতি কিলোওয়াট ২৫ টাকা করে একটি ডিমান্ড চার্জ রয়েছে। এটা মূলত যে যতো ওয়াট নেবে তার ডিমান্ড চার্জ ততো বেশি আসবে। কেউ যদি ২ কিলোওয়াট নিয়ে থাকে, তাহলে তার ডিমান্ড চার্জ আসবে ৫০ টাকা।
এরপরে দিতে হয় মিটারের ভাড়া আর ভ্যাট। তাহলে এই তিনটা বিল যোগ করে যা আসে, তা প্রতিমাসে কেটে রাখা হয়। মিটারের ভাড়া ব্যতিত বাকি দুটো চার্জ পোস্ট পেইড মিটারের ক্ষেত্রেও দিতে হতো।
