জুনিঃ ইঞ্জিঃ ও লাইন টেকনিশিয়ানের ভুলের কারনে জীবন দিতে হল লাইনম্যানের !

সাবস্টেশনে লাইনম্যানের মৃত্যু

[সত্য ঘটনা অবলম্বনে]

কখন যে কার মৃত্যু হবে কেউ জানে না ! তবুও সতর্কতা অবলম্বন করলে বিপদ থেকে অনেক ক্ষেত্রেই মুক্তি পাওয়া যায় । যেহেতু আমরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত, তাই আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে সব সময় । জীবন আমার তাই আমার জীবন নিয়ে অন্য কেউ ভাববেনা, আমাকেই ভাবতে হবে ।

চলুন, আজ আমরা এক লাইনম্যান ভাইয়ের মৃত্যুর গল্প শুনি, আর এখান থেকে শিক্ষা গ্রহন করি । আর কোনো ভাইকে যেন ওই ভাবে জীবন হারাতে না হয় ।

দুর্ঘটনার বর্ণনাঃ

কোন এক পবিসের ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের বাসবার রেডহট হয়। রেডহট নিরসনের কাজটি করা হবে ঠিক সেই সময়ে গ্রীড উপকেন্দ্র হতে ৩৩ কেভি ফিডার কোন কারণে ট্রিপ করে। জনৈক লাইনম্যান গ্রীড উপকেন্দ্র হতে নুতনভাবে সাট-ডাউন না নিয়ে বাসবার রক্ষনাবেক্ষণের কাজ করেন। যা গ্রীড উপকেন্দ্রের ডিউটি ম্যানের জানা ছিলো না। কর্তব্যরত ব্যক্তি কর্তৃক যথানিয়মে গ্রীড উপকেন্দ্র হতে লাইন চালু করা হলে স্পটেই লাইনম্যানের মৃত্যু হয়। উল্লেখ্য জুনিঃ ইঞ্জিঃ ও লাইন টেকনিশিয়ান স্পটেই ছিলেন এবং সাটডাউন না নিয়ে বা এবিএস ওপেন না কত কাজের নির্দেশনা তারাই দিয়েছিলেন।

দুর্ঘটনার কারণঃ

গ্রীড উপকেন্দ্র হতে সাট-ডাউন না নিয়ে/এবিএস ওপেন না করে কাজ করা। গ্রাউন্ডিং সেট ব্যবহার করে সোর্স ও লোড সাইডে অস্থায়ী গ্রাউন্ডিং না করা।

সম্ভাব্য সমাধান ∕করণীয়ঃ

লাইন ট্রিপ করলে বা লোড শেডিং পিরিয়ডে লাইনে কাজ করা যাবে না। অবশ্যই লিখিতভাবে যথাযথ পদ্ধতি প্রতিপালন করে সাটডাউন নিতে হবে এবং গ্রাউন্ডিং সেট ব্যবহার করে অস্থায়ী গ্রাউন্ডিং করতে হবে।

একটি দূর্ঘটনা, সারা জীবনের কান্না ! বেশি নয় মাত্র কয়েকটা ভুলের কারনে বিদ্যুৎ কর্মীদের জীবন দিতে হয়েছে বেশির ভাগ । তাই অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে দূর্ঘটনার হার কমানো এবং নিরাপত্তার সাথে কর্ম সম্পাদন করাই এই কেস স্টাডির মূল লক্ষ্য । এই কেস স্টাডি পড়ে একটি জীবন ও যদি বেঁচে যায় তবেই আমাদের পরিশ্রম স্বার্থক

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *